নিরব
নাসা ঘোষণা করেছে—অ্যারিক্স ৩২ গ্রহতে প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। আর ওদিকে অ্যারিক্স গ্রহের প্রাণীরা ভাবছে, পৃথিবীর মানুষ তাদের কথা জেনে গেছে। এখন এই গ্রহে পৃথিবী থেকে মানুষজন আসতে শুরু করবে। তাতে অ্যারিক্স ৩২ গ্রহের প্রাণীদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। তাই যে করেই হোক, অ্যারিক্স ৩২ গ্রহকে পৃথিবীর মানুষের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। তারা এবার পৃথিবীকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করে। এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য কিছু বিশেষ অ্যালিয়েনকে পাঠানো হয় পৃথিবীতে। কখনো অ্যালিয়েন হয়ে, আবার কখনো মানুষের বেশ ধারণ করে তারা। পৃথিবীকে ধ্বংস করার জন্য তারা নিরবকে ব্যবহার করতে চায়। এটি স্বপন আহমেদের নতুন ছবি পরবাসিনীর গল্প। এরই মধ্যে ছবির শুটিং শুরু হয়েছে। প্রথম কাজ হয়েছে শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়ায়।
নিরব বললেন, ‘পুরো ছবিটিই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি-নির্ভর। এ ধরনের ছবিতে আগে কাজ করিনি। অ্যালিয়েনরা আমার পিছু নিয়েছে, ভাবতেই যেন কেমন লাগছে। একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। এই ছবির জন্য আমি গেটআপ বদলে ফেলেছি।’
স্বপন আহমেদ বললেন, ‘বছর খানেক ধরে আমি ছবিটির অ্যানিমেশনের কাজগুলো করেছি। আশা করছি, আমাদের দর্শককে নতুন কিছু উপহার দিতে পারব।’
নাসা ঘোষণা করেছে—অ্যারিক্স ৩২ গ্রহতে প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। আর ওদিকে অ্যারিক্স গ্রহের প্রাণীরা ভাবছে, পৃথিবীর মানুষ তাদের কথা জেনে গেছে। এখন এই গ্রহে পৃথিবী থেকে মানুষজন আসতে শুরু করবে। তাতে অ্যারিক্স ৩২ গ্রহের প্রাণীদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। তাই যে করেই হোক, অ্যারিক্স ৩২ গ্রহকে পৃথিবীর মানুষের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। তারা এবার পৃথিবীকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করে। এই কাজ সম্পন্ন করার জন্য কিছু বিশেষ অ্যালিয়েনকে পাঠানো হয় পৃথিবীতে। কখনো অ্যালিয়েন হয়ে, আবার কখনো মানুষের বেশ ধারণ করে তারা। পৃথিবীকে ধ্বংস করার জন্য তারা নিরবকে ব্যবহার করতে চায়। এটি স্বপন আহমেদের নতুন ছবি পরবাসিনীর গল্প। এরই মধ্যে ছবির শুটিং শুরু হয়েছে। প্রথম কাজ হয়েছে শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়ায়।
নিরব বললেন, ‘পুরো ছবিটিই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি-নির্ভর। এ ধরনের ছবিতে আগে কাজ করিনি। অ্যালিয়েনরা আমার পিছু নিয়েছে, ভাবতেই যেন কেমন লাগছে। একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। এই ছবির জন্য আমি গেটআপ বদলে ফেলেছি।’
স্বপন আহমেদ বললেন, ‘বছর খানেক ধরে আমি ছবিটির অ্যানিমেশনের কাজগুলো করেছি। আশা করছি, আমাদের দর্শককে নতুন কিছু উপহার দিতে পারব।’




